//
Save ৳4 more withWELCOME400coupon.
বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস “কপালকুণ্ডলা”তে ইতিহাস প্রাধান্য না পেলেও এখানে ইতিহাস এসেছে কাহিনী নির্মাণের সহযোগী উপকরণ হিসেবে। এটি মূলত কাব্যধর্মী রোমান্টিক উপন্যাস। অতিপ্রাকৃত উপাদানের দিকে বঙ্কিমের যে প্রবণতা তা এ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে। লেখক স্থানের ব্যাপারেও ঐক্যবোধ রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। সমুদ্রতট আর গভীর অরণ্য দিয়ে কাহিনীর শুরু, তেমনি বন ও নদীতট দিয়েই ঘটনার পরিসমাপ্তি। লেখক এখানে ইতিহাসের সাথে কল্পনার মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। এর কিছু চরিত্র কল্পিত ও কিছু চরিত্র ইতিহাস আশ্রিত। রহস্যময়তা এ উপন্যাসের আরেকটি বৈশিষ্ট্য। কপালকুন্ডলা, কাপালিক ও মতিবিবি চরিত্রগুলো যথেষ্ট রহস্যময়। এছাড়া উপন্যাসটিতে নিয়তিলীলা বা দৈবশক্তির প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। তবে নারী চরিত্র সৃষ্টিতে বঙ্কিম যে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন তা সত্যিই অসাধারণ। কপালকুণ্ডলা ও মতিবিবি চরিত্র দু’টি অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। নারীর ত্যাগ ও ভোগ, ধর্ম ও অধর্ম, উদারতা ও সংকীর্ণতা ইত্যাদি বিপরীতমুখী গুণাবলীগুলো চরিত্র দু’টির মধ্যে দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।
| প্রকাশনী | : | অনিন্দ্য প্রকাশ |
| সংস্করণ | : | 1st Published, 2026 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 80 |