//
Condition Guide
New
নতুন বই, বর্তমান এডিশন।
Old – Like New
পুরাতন, প্রায় নতুন বলা যাবে।
Old – Good Enough
পুরাতন, যথেষ্ট ভালো কন্ডিশন — বইয়ে দাগ থাকতে পারে তবে অনায়াসে পড়া যাবে।
Old – Readable
পুরাতন, আগের এডিশন। বইটি পাঠযোগ্য।
গঙ্গা পৃথিবীর প্রাচীন এবং দীর্ঘতম নদ-নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। গঙ্গার বিভিন্ন নাম রয়েছে। এর ভাটির প্রবাহ নলিনী, পদ্মা এবং পদ্মাবতী নামে পরিচিত। নলিনী অর্থ পদ্ম। পদ্ম থেকে পদ্মা ও পদ্মাবতী। গঙ্গা পৌরাণিক নদী। ভারতবর্ষে এর তীর্থ মাহাত্ম্য অপরিসীম। প্রাচীন পৃথিবীর যেসব নদ-নদীর তীরে উন্নত মানব বসতি গড়ে উঠেছে, নিশ্চিতভাবে এগুলোর মধ্যে গঙ্গার অবস্থান সামনের কাতারে। যদিও নীল নদের তীরে গড়ে ওঠা মিসরীয় সভ্যতা (Nile vally civilization), ইউফ্রেটিস ও তাইগ্রিস নদী তীরবর্তী ভূমিতে গড়ে ওঠা ব্যাবিলনীয় সভ্যতা কিংবা সিন্ধু নদের তীরে গড়ে ওঠা হরপ্পা- মহেঞ্জোদারোর সিন্ধু সভ্যতা (Indus Vally Civilization) এগুলো গাঙ্গেয় সভ্যতার চেয়ে আরও অনেক বেশি প্রাচীন।গঙ্গা বা পদ্মা অববাহিকা পললযুক্ত উর্বর মৃত্তিকা দ্বারা গঠিত। এই অববাহিকাটি পৃথিবীর ঘনবসতিপূর্ণ জনপদগুলোর মধ্যে একটি। সম্ভবত গঙ্গা ও পদ্মা পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য বৃহৎ নদ-নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম, যার শাখা-নদীর সংখ্যা সর্বাধিক। গঙ্গার অনেক উপনদী রয়েছে। তবে ব্রহ্মপুত্রের মতো এত অধিক নয়। পৃথিবীর বৃহৎ দুটি নদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আমাজান এবং ব্রহ্মপুত্র। হাজার হাজার কিলোমিটারব্যাপী চলার পথে এই দুটি নদ সর্বাধিক উপনদ-নদী ধারণ করেছে।
| প্রকাশনী | : | আগামী প্রকাশনী |
| সংস্করণ | : | 1st Published, 2014 |
| কভার | : | hardcover |
| ভাষা | : | bangla |
| ISBN | : | 9789840416400 |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | : | 360 |